এই পদ্ধতিতে এসি সারাদিন চললেও বাড়বে না বিদ্যুৎ বিল!

অনেকেই বিদ্যুতের বিল বেড়ে যাবে এই ভেবে এসি ঠিকমত ব্যবহার করেন না! এই প্যাচপ্যাচে গরমে নাকাল হয়ে বাড়ি ফিরে এসি চালিয়ে খানিক স্বস্তি পাওয়া যায় ঠিকই। কিন্তু মাসের শেষে বিদ্যুতের বিল দফারফা করে দিতে পারে পকেটের। তবে জানেন কি কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে যা মানলে এসির হাওয়া সারাদিন খেলেও বিদ্যুৎ বিল বাড়বে না। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন সতর্ক হতে হবে এসি কেনার সময়েই। যত বেশি স্টার তত কম বিদ্যুৎক্ষয়, মানতে হবে এই সহজ-সরল নিয়ম। পাশাপাশি স্টার রেটিং যত বেশি হবে, ততই বাড়বে এসির দাম। তাই অনেকেই ফাইভ স্টার এসি কেনার চেষ্টা করেন। কিন্তু সবসময় ফাইভ স্টার এসি কেনার দরকার হয়না। এসি যদি বছরে গড়ে হাজার ঘণ্টার কম চলে এবং বিদ্যুতের ইউনিট পিছু খরচ যদি ৫ টাকা হয় তবে ৩ স্টার স্প্লিট এসি কিনলেই চলবে। কিন্তু এসি যদি গড়ে বছরে হাজার ঘণ্টা থেকে ১ হাজার ৫০০ ঘণ্টা চলে তবে ফাইভ স্টার স্প্লিট এসি কেনাই ভাল। খবরঃ ডেইলি বাংলাদেশ ডট কম 

এ তো গেল এসি কেনার সাতকাহন। কিন্তু রোজের দাওয়াই? 

১. এসির টেম্পারেচার অবশ্যই ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের মধ্যে থাকা চাই। এসি যত কম তাপমাত্রায় চালানো হবে, তত বেশি চাপ পড়বে কম্প্রেশারে। চড়চড় করে চড়বে বিল।
২. রাতে স্লিপ মোডে চালান এসি। বিদ্যুৎ অপচয় কমবে। ভোরের দিকে এসি বন্ধ করে দেয়ার অভ্যেস তৈরি করতে পারলে ভাল। রাতে ঘণ্টা পাঁচেক এসি চললে, পরবর্তী কিছুক্ষণ এসি ছাড়া থাকাই যায়।
৩. এসি পুরনো হয়ে গেলে তা পালটে নেয়া একটি ভালো কৌশল হতে পারে। পুরনো এসিগুলো সে রকম বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নয়।
৪. এসির ফিল্টারটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর পরিষ্কার করতেই হবে।
৫. এসিতে টাইমার ব্যবহার করুন যাতে ঘর ঠান্ডা হয়ে গেলে আপনা থেকেই বন্ধ হয়ে যায় যন্ত্রটি।
আপনার সিলিং ফ্যানটিকেও ব্যবহার করুন এসির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে।
৬. দিনের বেলা ঘরে তাপ ঢোকার উৎসগুলোকে বন্ধ করুন।

Related Posts

Add Comment