সজিকে বাঁচানো গেলো না

শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দেয়া আগুনে দগ্ধ গৃহবধূ সজি খাতুন মঙ্গলবার রাতে ঢামেকের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ৬ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে  রাত পৌনে ১১টায় মারা যান তিনি।

আমিনপুর থানার ওসি মোমিনুল ইসলাম বলেন, নিহতের ননদ সামেলা খাতুনকে আটক করা হলেও বাকিরা পলাতক রয়েছে। তবে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টাও চলছে।

এর আগে ৯ মে ভোরে পাবনার সুজানগর উপজেলার আমিনপুর থানার তালিমনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পারিবারিক কলহের জের ধরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে গৃহবধূর স্বজনরা অভিযোগ করেন। আগুনে তার শরীরের ৬০ ভাগ পুড়ে গিয়েছিলো।

সজির বাবা ফজিবর মণ্ডল বলেন, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য তার মেয়েকে নির্যাতন করে আসছিল সজির স্বামী, শাশুড়ি, ননদসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন। দুই মাস আগেও তারা সজিকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। 

এ ব্যাপারে আমিনপুর থানায় অভিযোগ দেয়া হলে পুলিশ বুধবার সজিকে দুই সন্তানসহ বাড়িতে তুলে দিয়ে যায়। পরে ৯ মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন সজির গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবরঃ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম 

এ সময় দুই সন্তান ও সজির চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে পুলিশ ও স্বজনরা এসে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে পাবনা জেনারেল হাসাপাতাল থেকে ঢামেকের বার্ন ইউনিটে নেয়া হয়।

Related Posts

Add Comment