বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে আটকে রেখে গণধর্ষণ

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরীকে (১৭) দুই দিন ধরে আটকে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। খবর পেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নির্যাতনের শিকার কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার করা যুবকের নাম রফিকুল ইসলাম (২১)। তিনি ওই কিশোরীর কথিত প্রেমিক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোনাইমুড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সামাদ বলেন, গত বুধবার রাত ১০টার দিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলার বাড়ি থেকে ওই কিশোরীকে কৌশলে বের করে আনেন রফিকুল ইসলাম। কিশোরীকে ওই উপজেলায় মো. বাবু নামের এক বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে যান তিনি। বুধবার রাতে রফিকুল ইসলাম ও বাবু ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁদের আরেক বন্ধু সাইফুল ওই বাড়িতে এসে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন।

ওসি জানান, খবর পেয়ে গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর অপর দুই বন্ধুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী বাদী হয়ে রফিকুল ইসলাম এবং তাঁর দুই বন্ধু বাবু ও সাইফুলের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় একটি মামলা করেছে। খবরঃ প্রথম আলো

আজ শুক্রবার দুপুরে ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানান ওসি।

Related Posts

Add Comment